AsiaNews24 | News Details

অভিনেতা বিশ্বনাথের সাক্ষাৎকার: বাবা থাকতে বুঝিনি, হারিয়ে অনুভব করছি

Category : Entertainment | Sub Category : News Posted on 2020-11-01 01:52:44


অভিনেতা বিশ্বনাথের সাক্ষাৎকার: বাবা থাকতে বুঝিনি, হারিয়ে অনুভব করছি

৪২-এ পা দিলেন ভারতীয় বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু। কমেডিয়ান হিসেবে ইতিমধ্যেই তিনি স্থান করে নিয়েছেন দুই বাংলার দর্শকদের হৃদয়ে। জন্মদিনে তার বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।  যুগান্তর পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি হুবহু প্রকাশ করা হলো-


প্রশ্ন: ৪০ পেরিয়ে আরও দু’ঘর এগিয়ে। মনখারাপ, বুড়ো হয়ে যাওয়ার ভয়?


বিশ্বনাথ: ধুররর! জীবনের এই তো শুরু। আরও কত কিছু পাওনা আছে। দেখার আছে। ছেলে দুটো বড় হচ্ছে। ওদের থিতু হতে দেখব না! কত অভিজ্ঞতা ঝুলিতে। এগুলো কি অল্প বয়স দিতে পারবে? ওই জন্যেই তো জন্মদিনের ছবির ট্যাগলাইন, ‘বিপ্লব এবার হবেই হবে- ৪২ বলে কথা’!


প্রশ্ন: রাতে ডাবল কেক কেটে সেলিব্রেশন! সকালের ফ্লাইটে মুম্বই। আড়বালিয়ার বিশ্বনাথ ‘সেলিব্রেটি’ হলেন?


বিশ্বনাথ: সেলিব্রেটি-টেলেব্রেটি কিচ্ছু না।  দুনিয়া যতই ওলটপালট হোক, আমি বছরে তিনবার ঘুরতে বের হবই- ছেলেদের স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটিতে, পুজোর পর আর শীতে। 


করোনার দাক্ষিণ্যে প্রথম বেড়ানোয় কাটা চিহ্ন পড়েছে। জুলাইয়ে অবশ্য পুষিয়ে নিয়েছি মন্দারমণি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া গিয়ে। এটা দ্বিতীয় দফা। এক ঢিলে দুই পাখি। জন্মদিন উদযাপন এবং পুজোর পরের বেড়াতে যাওয়া। তা ছাড়া, মুম্বইয়ের একটা আলাদা ‘ভাইবস’ আছে। ওটাও অনেকদিন ধরেই টানছিল।


প্রশ্ন: ঘুম ভেঙে আজ প্রথমেই কী মনে হল?


বিশ্বনাথ: গ্রামের ছেলের শহরে পা রাখার ছবিটা দেখতে পেলাম আবার।  সেখান থেকে আজকের বিশ্বনাথ বসু।  যাকে বাংলা ভালবাসে। যার জন্মদিন সেলিব্রেশন সোশ্যাল পেজে পোস্ট হলে লাইক বাড়ে হু হু করে।


প্রশ্ন: উদযাপনের তালিকায় কী কী আছে?


বিশ্বনাথ: অবশ্যই খাওয়া। দুপুরে ভাত তার সঙ্গে ভাল-মন্দ পদ। রাতে ছেলে আর ছেলেদের মায়ের আবদারে চাইনিজ হবে। স্ত্রী টিপ্পনি কাটে সারাক্ষণ, "কী সব সময় ভাত ভাত করো!" আর অল্পস্বল্প ঘুরব।

 

প্রশ্ন: খেতে ভালবাসেন। সুস্বাস্থ্য আপনার। নামটাও তারকাসুলভ নয়। তারপরেও অভিনয়ে। ঝোঁক না ঝুঁকি?


বিশ্বনাথ: স্বপ্ন বলতে পারেন। কলেজ শেষ করেই টলিউড পাড়ায় ঘাঁটি গেড়েছি। আপনি যে তিনটে দিক দেখালেন, আমিও জানতাম। ওগুলো নিয়েই আদাজল খেয়ে লেগে পড়েছিলাম। অনেকেই বলেছেন, নামটা বদলাও। কারোর কটাক্ষে কখনও খাওয়া ফেলে টোনড ফিগার বানাতে যাইনি। আমি যেমন তেমন থেকেই বীজ মন্ত্র আউড়েছি, অভিনয়ে নিংড়ে দিতে হবে। বরাবরই আমার আইডল তাই তরুণ কুমার, পরেশ রাওয়াল।


প্রশ্ন: শুরুতে শহর কলকাতা, টলিউড আপন করেছিল? না আজও ‘বহিরাগত’ই?


বিশ্বনাথ: অভিনয় থেকে অ্যাঙ্করিং-- যা করেছি সব সাদরে গ্রহণ করেছেন সবাই। আমার ইন্ডাস্ট্রিও। কখনও কেউ গ্রামবাংলার ছেলে বলে দূরে রাখেননি। সেই জোরেই তো গান, নাচ, অভিনয়, বড় বড় অনুষ্ঠানে সঞ্চালনার ডাক পাই, পাচ্ছিও। স্রোতে ভাসতে ভাসতে শ্যাওলা, কচুরিপানা পায়ে ঠেকে। সে সব আবার বাধা নাকি! এগুলো সরিয়েই এগতে হয়।

Leave a Comment: